ধৈর্য ছাড়া অন্য রাস্তা নেই
লেখক - মনসুর আলি বিপুল একটা ব্যবসা করবে। বিপুল এমনিতে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে। মাস গেলে যা পায় খেয়েপরে হাতে কিছু থেকেও যায়। এখন ও উতলা হয়ে পড়েছে, আরও ইনকাম চাই, একটা ছোটমতো ব্যবসা করতে হবে। ভালো কথা। কিন্তু ব্যবসা করতে হলে এই মুহূর্তে মূলধনও তো কিছুটা লাগবে। কে দেবে টাকা? হাতে তো ততটা টাকা নেই। বউয়ের কাছে হাত পাতল। অনামিকা বলল, “আমার কাছে মেরেকেটে পাঁচটা হাজার টাকা আছে। সবটা যদি দিয়ে দেই তো আমার হাত একদম ফাঁকা হয়ে যাবে। আর পাঁচ হাজার টাকায় তোমার ওই ইমিটেশনের ব্যবসা হবে না। তুমি তো বলেছ কম করে পঁচিশ হাজার টাকা তোমার লাগবে।” বিপুল “ধুত্তোর” বলে নিজের হাঁটুতে একটা হালকা কিল মেরে মাথা নিচু করে। অনামিকা বলল, “আর ছয়টা মাস ওয়েট করো না। তুমি তো বলেছ ছয় মাস গেলেই ও টাকা তোমার জোগাড় হয়ে যাবে। মাইনে থেকে ছয় মাস কিছু কিছু করে রাখলেই হল। ধৈর্য ধরো গো ধৈর্য ধরো। তুমিই তো আমাকে শিখিয়েছ ধৈর্য তেতো, কিন্তু এর ফল মিষ্টি। তুমি তাহলে এমন করছ কেন। একটা ব্যবসা ভালো করে ফাঁদতে পারলে তোমার চিন্তা থাকবে না। বাড়িতে মাল থাকবে। লো...